Hacked Facebook !

Posted: জানুয়ারি 25, 2012 in Uncategorized
ট্যাগসমূহ :, , , , ,

Source of this news : 100,000 Facebook Log In Details Leaked !

Hannibal Lecter is a amazing individuality in a terrifying series, where he is a killer and man-eater, which was later developed in movies. But the ‘Hannibal’ came into discussion this Thursday is not bogus at all.

Hannibal is a pro-Israel nuller, mentioned to concern 100,000 fb factor log in information and encountered with more dripping coming. According to Hannibal, he has 30 million get in touch with factor information, 10 million information, 4 million lender card information of Arabians. The actual variety of published log in information is less than mentioned, and most of the factor information have been customized by now.

All the affected facbook information fit in with Persia nations around the world. If you are an Persia, and this is initially you are examining this then you better have a look at out here [ Element 1, Element 2, Element 3 , Element 4] to discover out whether your get in touch with ID is there. Even if it’s not there, you may want to change your log in information.

How Hannibal got use of those contact cope with and factor information is the big concern here. It’s unlikely all those individuals are patients of phishing sites; and Hannibal published those information in a localized foundation, the best way to get them in such fantastic comprehension is from Myspace or fb itself. Did Hannibal has or have an use of fb ? Was fb affected on 13th January?

সিংহের লেজ ধরা – প্রবাদটির অর্থ , ব্যাখ্যা, উদাহরণ জানার জন্যে আফ্রিকা যাবার কোন প্রয়োজন নেই । চোখ কান খোলা থাকলে আর কপাল আমার মত খারাপ হলে ঘরে বসেও আপনি পেতে পারেন অসাধারণ, অভূতপূর্ব এই অভিজ্ঞতা ।

প্রথমে কিছু ভূমিকার প্রয়োজন আছে । তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশ; যার দন্ডমূন্ডের অধিকারীরা শিক্ষা-দীক্ষা মননে মানসিকতায় সাধারনের চাইতে অনেক ‘এগিয়ে’; যারা বিনে পয়সায় সাবমেরিন কেবল কানেকশান পেলেও ফিরিয়ে দেয়; কিংবা দেশের অপার ব্যান্ডউইথ রপ্তানী করে দেশের সকল অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান করতে চায়; আমি এমন একটি দেশের অধিবাসী ।

ভার্সিটিতে পড়ি । নেট দরকার । বাসার কাছেই স্মাইল-বিডিকমের অফিস । এই ঘটনার যখন জন্ম, তখন অবশ্যি স্মাইল আর বিডি-কম আলাদা ছিল । ভার্সিটি হলে সবার স্মাইল । লোকাল সার্ভারটা তখনো চালু হয় নি ; কিন্তু ওদের সার্ভিস অনেক ভাল; স্পিডও বেশ । অতএব স্মাইলই সই।
গেলুম । বাসার ঠিকানা নিয়ে বলল, বিকেলেই লোক গিয়ে দেখে আসবে, সম্ভব হলে কানেকশান দিয়ে যাবে । আনন্দে নীড়ে ফিরে গেলাম । বিকেল হল । ভদ্রলোকেরা এলেন না ।

পরের দিন এবং তারুপরের দিনও যখন এলেন না; একটু মনে করিয়ে দিতে আবার গেলুম । কপাল থেকে চোখ নামিয়ে আমাকে বিভিন্ন কারন দেখিয়ে ( এত দিন পরে আর মনে নেই )জানাল অবশ্যই কালকে আসবে ।

দুঃখজনক ভাবে সেই কালকে পরের তিনদিনেও হল না । এর মধ্যে আমার দোতালায় একভাইয়া , যিনি স্মাইলের গ্রাহক, উনি ত্যক্ত হয়ে লাইন কেটে দিয়েছেন । এখানে স্মাইল একমাত্র ব্রডব্যান্ড ISP হওয়াতে গ্রাহক সমস্যাতে তাদের আগ্রহ নেই ; সিড়িঘরে দাঁড়িয়ে তৎকালীণ ম্যানেজারের ও ম্যানেজারের পুর্বপুরুষদের নিয়ে কিছু মূল্যবান উক্তি করলেন ভাইয়া সেদিন । তবুও আরো সাতটি মূল্যবান দিন অপেক্ষা করে অবশেষে গ্রামীণফোনের আনলিমিটেড ( P2 ) নিয়েই ফেললাম ।

অদ্ভুত ব্যপার হল ; এখন পর্যন্ত আমিই মনে হয় একমাত্র গ্রামীন ইউজার যে (অন্তত ১১ মাস ) নিশ্চিন্তে নির্ভাবনাই , আনন্দের সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে । ডাউনলোড স্পিড পেতাম ২২-২৮ কেবিপিএস; কোন কোন সাইটে চল্লিশের ( ইয়াপ 40 ) উপরেও চলে যেত । তবে সব সুখ ভংগ হল গত্ নভেম্বরে ।

বলা নেই কওয়া নেই; একদিন নেটের স্পিড ৩-৪ কেবিপিএস (সর্বোচ্চ ) । ভাবলাম ‘সাময়িক গোলোযোগ ‘ । কিন্তু সারারাত এমন থাকার পরে কল দিলাম সার্ভিস সেন্টারে ।

৫ মিনিট ওয়েটিং + ৫ মিনিট ‘প্রাথমিক’ চিকিৎসা + ১২ মিনিট ওয়েটিং + স্পেশিয়ালাইজড সেকশানে আরো ৫ মিনিট = সিঙ্গাপুরে লাইন সমস্যা দুই দিন অপেক্ষা করেন । ‘স্যরি স্যার , এটা আমাদের হাতে নেই’

দুই দিন পরেঃ ৫ মিনিট ওয়েটিং + ৫ মিনিট ‘প্রাথমিক’ চিকিৎসা + ১২ মিনিট ওয়েটিং + স্পেশিয়ালাইজড সেকশানে আরো ৫ মিনিট = স্যার আপনার এমাসে ডাউনলোড ৫ গিগাবাইটের উপরে হয়ে গিয়েছে, ইনফ্যাক্ট আপনি ৭ গিবা ডাউনলোড করেছেন ; অতএব ফেয়ার ইউজ পলিসিতে আপনার ব্যান্ডউইথ সীমিত করা হয়েছে ।

আকাশ থেকে পড়লাম , কারন আমি গড়ে ৬-৭ গিবা ডাউনলোড করি ; কোন কোন মাসে ১০-১২ গিবাও হয়ে যায় ; অবশেষে গ্রামীনের পেইজ থেকে জানলাম , কথা সত্য । মাস শেষ হতে তখনো ১৪ দিন বাকি।

সেই মাস কোন মতে শেষ করলাম । পরের মাসেও অনেক ব্যস্ত , নতুন ISP খোঁজার সময় নেই । কিন্তু পরের মাসেও তথৈবচ । কি করি ! শেষে ঠিক করলাম । নিব বাংলা লায়ন ।

আইটি ফেয়ার এ এক সেলসম্যান ভদ্র লোকের সাথে দেখা হয়েছিল । উনি অনেক যুক্তি দিয়ে বলেছিলেন কেন কিউবি থেকে বাংলা লায়ন ভাল । অন্যদিকে আমার বন্ধু কিউবি নিয়ে সন্তুষ্ট, তবে রাতের বেলায় নাকি আগের মত আর সার্ভিস পাওয়া যায় না । অন্যদিকে বাংলা লায়ন এর ইউজার আরেক বন্ধু সার্টিফাই করল লায়নকে । অতএব বাংলা লায়নই সই ।

মাঝে আবার স্মাইল-বিডিকমের দোকানে গেলুম । নতুন ম্যানেজার । ইনাকে বেশ মনে হল । আমার বাসার লোকেশান জেনে জানালেন আমার বাসা থেকে বক্স ১০০ মিটারের বেশি । ৬০ মিটারের বেশি হলেই সার্ভিস খারাপ হতে শুরু করে । এত দূরে উনি কানেকশান দিতে পারবেন না ।

অতএব ফোন দিলাম সেই বাংলা লায়নের ভদ্রলোক কে । ধরে নিচ্ছি তার নাম মুন্না । বাসার ঠিকানা নিয়ে উনি জানালেন অচিরেই আমার দুয়ারে পৌছে যাবে বাংলার সিংহ ।:)

মুন্না ভাইকে ফোন করেছিলাম ১৬ তারিখ, বিজয় দিবসের দিন । সেদিন ছিল বৃহঃষ্পতি বার । ফোন করে জানতে পারলাম বিশেষ ‘বিজয় অফার’ চলছে । সুতরাং বিশাল ছাড়ে ২৯০০ টাকার মডেম বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ টাকাতে । আহা কি আনন্দ :)

শুক্র বার মুন্না ভাইয়ের ফোন । হুম । শনিবার তিনারা আসবেন ; তবে আমি যেই প্যাকেজের কথা বলেছি ( ২৫৬কেবিপিএস, আনলিমিটেড ), সেটা নাকি ছাড় দেওয়া মডেমের সাথে পাওয়া যাবে না । বল্লুম কোন সমস্যা নেই , ছাড় আছে সেই তো জানতাম না আগে । আপনি আগে দেখেন বাসাতে নেটওয়ার্ক পায় নাকি ।

শনিবার । দুঃখজনক ভাবে মুন্না ভাই বিট্রে করলেন । এদিকে রবিবার আমার জিপির মেয়াদ শেষ । তাকে ফোন দিয়ে বললাম রবিবার না আসলে আমাকে নেট ছাড়া থাকতে হবে । কেন জানি মাঝে মাঝে লোক-জন অনেক ব্যস্ত হয়ে যায় । আমার না আবার ব্যস্ত মানুষ ভারী অপছন্দ । তাই শেষ মেস ঠিক করলাম মুন্না ভাই আসার আগে আমি বাসার কাছের সেন্টার থেকে ট্রাই দিয়ে দেখি একটা ।

বাংলা লায়নের সেলস সেন্টারে গিয়ে তো জানলাম নতুন কথা । প্রথম মাসে লিমিটেড প্যাকেজ নিয়ে পরের মাসে ঠিকই প্যাকেজ বদলে আনলিমিটেড নেওয়া যাবে । বার বার করে জেনে নিলাম ফেয়ার ইউজ পলিসি আছে কি না, আসলেই প্যাকেজ শিফট করা যাবে কি না ।

মডেম নিয়ে বাসাতে ফিরে দেখি ড্রাইভার পাচ্ছে না । না – না কিছুতেই না । ওদিকে জিপি লিমিটেড হয়ে এমন অবস্থা নেট থেকে ড্রাইভার নামানোর জো নেই । কি করি ! আবার গেলুম সেন্টারে ।

গিয়ে তো চক্ষু চড়ক গাছ । বাংলা লায়নের আরেকজন কর্মকর্তা এসে হম্বি-তম্বি করছেন , কখনোই লিমিটেড প্যাকেজ আনলিমিটেড হবে না , হাবি জাবি । অতএব রিফান্ড করে দিলাম মডেম ।

বাসায় ফিরে আবার প্রতীক্ষা । মুন্না ভাই । রবিবারেও আসলেন না । সোমবার অবশেষে বাংলা লায়ন থেকে মুন্না ভাইয়ের প্রক্সি দিতে এলেন রফিকুল আলম ( এটাও ছদ্ম-নাম ) । বাসাতে এসে কানেকশন দিয়ে দেখলেন । নেটওয়ার্ক বেশ ভাল । CINR 20 । কিন্তু যাবার বেলাতে তিনি সেই ১৩০০ টাকার ছাড় দেওয়া মডেম এর সাথেই ২৫৬ কেবিপিএস আনলিমিটেড দিয়ে গেলেন ।

দুই ঘন্টা পরে চালু হবার কথা । কিন্তু তার আর নাম নেই । অতএব ফোন করতে যাচ্ছি , আর ফোনটা বেজে উঠল । রফিকুল ভাই ফোন করে কাদো কাদো গলায় বললেন তিনি এক ভুল করেছেন ; সেই চাড় দেওয়া মডেমের সাথে কোন ভাবেই আনলিমিটেড দেওয়া যাবে না । বিকেলে এসে মডেম বদলে বাকি টাকা নিয়ে গেলেন ।

রাতে চালু হল মডেম । আহা কি স্পিড !! সবাইকে অনেক ভাব নিয়ে জানালাম , ঘরে এখন সিংহ আছে :)

ভাব দূর হতে সময় বেশি লাগল না । ফেসবুক বাংলা লায়ন গ্রুপ( যেই গ্রুপ কিনা আবার ক্লোজড গ্রুপ ) গিয়ে দেখি ইউজাররা শাপ-সপান্ত করে চলেছে । বাংলা লায়ন ফেয়ার ইউজ পলিসি দিয়েছে । ১০ কি ১২ গিবা ডাউনলোড করলেই হয়েছে । আর নে্ট ব্যবহার করা লাগবে না । এদের নাকি এক এক সময় এক এক রকম কাজ করে । কেউ কেউ বলছে নেট কখনো থাকেই না আবার থাকলেও ৬-৭ কেবি এর বেশি থাকে না । কেউ কেউ বলছেন চার ঘন্টা টানা ডাউনলোড করলেই নাকি স্পিড কমে যায় !

মেজাজ অতিমাত্রায় খারাপ হয়ে গেল । কত বার করে জিজ্ঞেস করলাম ফেয়ার ইউজ আছে কি না !! এমন না ১০-১২ গিবা কম । কিন্তু তাই বলে জানাবে না ! এতো পরিষ্কার চিটিংবাজী ।

এর পরে আরেক কাহিনী । রাতে হঠাৎ নেট নাই । ফোন দিলাম সার্ভিস সেন্টারে । এক এক বার এক এক কথা ; মডেম আনস্টল করে ইন্সটল করি , হাবিজাবি আরো কত কিছু ! এক বার দুই বার তিন বার কল করার পরে জানতে পারলাম তাদের নাকি সেন্টারে সমস্যা । সেই নেট আসল পরের দিন সকাল আটটায় । তবে এর মাঝেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি । সিংহ মামার এখানেই ইতি ।

সোজা চলে গেলাম এখানে ওদের হেড কোয়ার্টারে । সোজা ভাষাতে জানালাম আমি ২০ তারিখ কানেকশান পেয়েছি , কিন্তু ফেয়ার ইউজ পলিসি দেওয়া হয়েছে এর আগেই অথচ আমাকে আপনাদের সেলস ডিপার্টমেন্ট এ নিয়ে কোন তথ্য দেয় নি । শুধু তাই না , আপনাদের কাস্টোমার কেয়ারেও এ নিয়ে পরিষ্কার কোন তথ্য নেই । আই হ্যাভ হ্যাড এনাফ অফ বাংলা লায়ন । প্লিজ রিফান্ড ।

সিংহের লেজ ছেড়ে শেষ পর্যন্ত এখন আবার জিপি । ভাবছি বিটিসিএল নেট নিয়ে দেখব । আল্লাহই জানেন সে নিয়ে আর কি ভোগান্তি আছে ।

ADSL নেট সম্পর্কে জানার জন্যে

সকালে ফেসবুক খুলেই থমকে গেলাম । বুয়েটের প্রথম্ বর্ষের ছাত্র বাস চাপায় নিহত ।

স্বপ্নগুলো কিভাবে ভেঙ্গে যেতে পারে ! জীবন কিভাবে হঠাৎ থমকে যেতে পারে ! ক্লাস শুরু হয়েছে ২২ তারিখে ; যে বুয়েটে একজনের সারা জীবনের আরাধ্য – সেখানে মাত্র ৫টা দিন ক্লাস করেই এই ভাবে বিদায় ! সবটুকু বাধা পাড়ি দিয়ে যখন একটা ছেলের জীবন সবচেয়ে নিশ্চিত , তখন এইভাবে চলে যাওয়াটা কিভাবে মেনে নিতে পারি !

ঐ একই পথে আজকে আড়াই বছর ধরে যাওয়া আসা করছি । ভেবে পাচ্ছি না , ঠিক কতটুকু অসাবধানতা প্রয়োজন সেখানে এইধরনের একটা দুর্ঘটনা ঘটাবার জন্যে ! নিরাপদ সড়কের জন্যে এত প্রচারণা – এত বিজ্ঞাপন ; আসলে কিছুই কি কোন কাজে আসছে ? কোন আইন কি আটকে রাখতে পারে এক মুহূর্তের অসাবধানতাকে ?

আসলে যে কারো জীবনে যেকোন সময়েই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে । প্রশ্ন হল, আমি নিজে কতটুকু সচেতন । এই যে 1-1 এর ছেলেটা চলে গেল এভাবে ; আমরা হয়ত কয়দিন কালো ব্যাজ পরে আসব ; হয়ত অনেক লেখা লেখি হবে ; বুয়েটের প্রায় চার হাজার পরিবার কয়দিন মন খারাপ করে থাকবে – হয়ত ধরা পড়বে ড্রাইভার – শাস্তি হবে – কিন্তু সম্রাটরা , হামিমরা আর ফিরে আসবে না ।

পথে আমাদের চলতেই হবে । দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্যে উপায় একটাই । নিজেকে সচেতন হতে হবে । এক মুহূর্তের অসাবধানতা এক এক টি পরিবার কে ধ্বংস করে দিচ্ছে ; আর কত পরিবারকে স্বজন হারাতে হবে কে জানে !

দেড় বছর আগের কথা । আসাদ গেটে বাস থেকে রাস্তায় পা দিয়েই বুঝলাম ; বিশাল ভুল হয়ে গেছে ; পেছন থেকে ধেয়ে আসছে আরেকটা বাস । আমি যে আমার বাসে আবার উঠে পড়ব , সে উপায় নেই- বাস আমাকে নামিয়ে দিয়ে আবার চলতে শুরু করেছে । ছুটে রাস্তাটুকু পার হলাম আর আমার পেছন দিয়ে বাসটা চলে গেল ।

বাস গুলো আপনাকে তোলার জন্যে ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে পারে ; কিন্তু আপনাকে নামানোর জন্যে ১০ সেকেন্ড সময় দিতে রাজি না । রাস্তার মাঝে কখনোই নামবেন না । সবাই আমার মত ভাগ্যবান নাও হতে পারে ।

মানব বন্ধন হবে শনিবার । জানি এভাবে আমরা ফিরে পাব না সম্রাটকে । তবু , চাই , দোষীদের শাস্তি হোক । তবু যদি একটু টনক নড়ে সেসব চালকদের !

এই লেখাটা যখন লিখছি , তখন জানতে পারলাম , আমাদের ডিপার্টমেন্টের বর্তমান ফার্স্ট , মারুফের ভাই গতকাল টাঙ্গাইলে বাস দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ।

সব কেমন যেন এলোমেলো ঠেকছে ! এভাবে কাছের মানুষেরা চলে যাবে কেন ! এত নিষ্টুর কেন পৃথিবীটা ! আমাদের কি কিছুই করার থাকবে না !

রাস্তায় চলার জন্যে খুব সাধারন কিছু নিয়ম মেনে চললেই হয় । এখানে ‘ব্যাসিক’ কয়টার কথা বলি ।

১) বাস থেকে নামার জন্যে অবশ্যই বাম পা দিয়ে নামতে হবে ।

২) নামার আগে দেখে নিন পেছনে কোন গাড়ি আছে নাকি ।

৩) কখনোই মাথা বা হাত জানালার বাহিরে রাখবেন না ।

আমার এই অভিজ্ঞতা অবশ্য ট্রেনের । তখন নতুন ট্রেন চালু হয়েছে বংগবন্ধু [বা যমুনা বহুমুখী] সেতুর উপর দিয়ে । আমি জানালা দিয়ে মাথা বের করতে যাব ; তখন ই ট্রেনের স্পীকারে শোনা গেল , ‘কেউ মাথা বা হাত জানালা দিয়ে বাহির করবেন না ’ । কথাটা কেন জানি মেনে নিলাম । সাথে সাথেই দেখি ব্রীজের পিলার গুলো জানালার ভয়াবহ রকমের কাছে ; অন্তত অতি কৌতুহলী কারো মাথা গুড়িয়ে দেবার মত কাছে !

৪) রাস্তা পার হবার সময় ব্যস্ত হয়ে উঠবেন না । রাস্তার মাঝে নেমে দাঁড়িয়ে যাবেন না । সম্ভব হলে ওভারব্রীজ ব্যবহার করুন ।
এই শেষ্ জিনিসটার প্রতি আমাদের এত অনীহা !

ঘটনাটা জানার সাথে সাথে ফোন করলাম সাকিবকে । ‘তুই যেভাবে রাস্তা পার হস !’ আসলে আমরা চিন্তাও করি না ; সামান্য একটা মিনিট বাঁচাতে গিয়ে কত বড় ঝুঁকি নিই ।

জানি না আর কত পরিবার কে কাদতে হবে । তবে আমাদের একটু সচেতনতা এই দুর্ঘটনা থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে ; জীবনকে সচল রাখতে পারে ।

আসুন , নিজে সচেতন হই , অন্যদের সচেতন করি ।

ন হন্যতে

Posted: মে 21, 2010 in গল্প

তোমার সাথে আর কোন দিন দেখা করব না , কথা বলব না ।

আবারো কোন অনুষ্ঠানে , কোন পার্বনে দেখা হয়ে গেলে আমি এড়িয়ে যাব তোমায় ।

ভাবছ , কেন ? তোমার মনে পড়ে যেদিন আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল ?

সেই যে আমার অস্তিত্বকে সম্পূর্ণ নাড়িয়ে দিয়ে চলে গেলে তুমি । ঘন্টা পেরিয়ে গেল , তোমার হাসির রেশ আমার কানে লেগে থাকল । স্তম্ভিত আমি পরিচিত হলাম নতুন অনুভবের সাথে ।

জানো , এর পর থেকে তোমার চোখের দিকে তাকাতে পারি না । ওই চোখগুলো যেন আমাকে চিরে ভেতরে ঢুকে পড়তে চায় ; আমাকে এক নিমেষে পড়ে ফেলতে চায় । কিন্তু আমি তো চাই না তুমি জানো আমার ভেতরে কি ঝড় বয়ে যায় তোমাকে দেখলে ! বুকের কাঁপন যাতে না বুঝতে পারো , সেজন্যে জোর করে হাসি , শক্ত কিছুর পাশে দাড়াই , যাতে আমার হাটুর দুর্বলতা তোমার কাছে প্রকাশ না পায় -

আমি গান জানি না , সুর বুঝি না , নাচ পারি না । কিন্তু তোমার চোখের তারার নাচন , তোমার কন্ঠ , তোমার উপস্থিতি আমাকে ক্ষনিকের জন্যে বদলে দেয় । আমি যেন সব কিছুতে সুর খুঁজে পাই , মনে হয় নাচের মূদ্রাগুলো আমারি জন্যে তৈরি । আর তোমার কথা যদি গান না হয় , তবে পৃথিবীর আর কোন সুরের আমার প্রয়োজন নেই ।

আজ আমি বুঝি কবিরা কেন কবিতা লেখেন , পাখিরা কেন গান গায় ! যদি সারা পৃথিবীর কবিতা তোমার পায়ের কাছে মেলে ধরতে পারতাম , যদি সারা পৃথিবীর পাখিদের গান উৎসর্গ করতে পারতাম তোমাকে !

কি হয়েছে আমার ! নিজেকের কাছে আর লুকিয়ে লাভ নেই – আমি ভালবেসে ফেলেছি তোমাকে – ভালবাসি প্রচন্ডভাবে – আমার সম্পুর্ন স্বত্তা দিয়ে । কিন্তু বিশ্বাস কর , এ আমি চাই নি । প্রেম কি , ভালবাসা কি আমি কখনোই বুঝতে চাই নি । দুহাত ভরে কেউ দিতে চাইলে প্রত্যাখ্যান করেছি । কিন্তু আজকে নিজেকে এড়িয়ে যাব কিভাবে !

জানি আমার এই অনুভুতি স্পর্শ করবে না তোমাকে কখনো । আমাদের মাঝে যে দূরত্ব , তাকে জয় করা অসম্ভব । শূন্যের দিকে তাকিয়ে না থেকে তাই আমি ভুলে যেতে চাই , তোমাকে একদম ভুলে যেতে চাই । জানি , সহজ নয় , কিন্তু আমি যে নিরুপায় !

তোমার সাথে তাই আর দেখা করব না – কথা বলব না । হয়ত আমার সময় আর থমকে যাবে না তোমাকে দেখে , জানি জলপ্রপাতের কান্না বাসা বাধবে বুকে – আমার সূর্য যে তোমার সাথেই ওঠে , ডোবে ! আশা করি সময় একদিন ভুলিয়ে দিবে সব কিছু । অথবা আজ থেকে বিশ কি তারুপরে , কোন এক রাত থেকে যাবে বিনিদ্র । কিন্তু যত কষ্টই হোক তোমাকে ভুলতে যে আমার হবেই !

তোমার কাছে কিচ্ছু চাই না , কোন দিন কিছু চাই নি – শুধু একটি উপকার আমার কোরো । আমাকে এড়িয়ে যাও – তোমাকে ভুলে যাবার এই সুযোগ টুকু আমাকে দাও !

—————————————————————————————————–
লেখাটি http://www.somewhereinblog.net/blog/ise7ven/29139197 এখানে আগে প্রকাশিত

মেমরিস্টর [স্মৃতিধারক রোধ] প্রাক-কথনঃ

আপনার অফিসের বস ২৪ বছরের অভিজ্ঞ কোন রোবট – কিংবা আপনাকে ফাইল এগিয়ে দিচ্ছে আপনার ধাতব সহকারী … কল্পকাহিনীতে হরহামেশাই এসব দেখা গেলেও বাস্তবতা হল , আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলেজেন্স এখনো খেলনার পর্যায়েই আছে । অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে এমন কিছু এখনো গবেষকদের কাছে মিথ বা সায়েন্স ফিকশান হয়েই আছে । তবে এ শতাব্দীর একটি আবিষ্কার এই গবেষনাতে নতুন আশার প্রদীপ জ্বালিয়েছে ।

১৯৭১ সাল । এদিকে বাংলাদেশে চলছে স্বাধীনতার যুদ্ধ , ভূমিকম্প , টর্নেডো , মিলিটারি ক্যু সব মিলিয়ে ঝঞ্ঝা – বিক্ষুদ্ধ একটি বছর । এর মাঝে ক্যালিফোর্নিয়া বার্ক’লে ইউনিভার্সিটির Leon Chua [লিও চুয়া] তার পেপারে ভবিষ্যত বানী করলেন তড়িৎ ব্যাবস্থা [ Circuit system] এর নতুন এক সদস্য কে , নাম দিলেন মেমরিস্টর ।

চার্জ (Q) , তড়িৎ প্রবাহ (I) , বিভব (V) , চৌম্বক ফ্লাক্স (F)[এখানে ফ্লাক্স কে গ্রীক ফাই এর পরিবর্তে F দিয়ে প্রকাশ করা হল ] – এই চারটি হল সার্কিট ভেরিয়েবল । বিদ্যুত সম্পর্কিত যেকোন ব্যবস্থাকে এই চারটির মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় । আমরা দৈনিন্দন জীবনে যত বৈদ্যুতিক যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করি , সবগুলো এদের একটি বা একাধিকের ফাংশন হিসেবে কাজ করে । একটি তড়িৎ ব্যবস্থায় থাকতে পারে তিনটি উপাদানঃ রোধ (R) , আবেশক বা Inductor (L) , ধারক বা Capacitor (C) .

বিদ্যুৎ প্রবাহ ও বিভবের ফাংশান হল রোধ , বিভব ও চার্জের ফাংশান হল ধারক বা capacitor ; ফ্লাক্স ও বিদ্যুতের ফাংশান হল আবেশক বা Inductor .

R = V/I ; L = F / I ; C = Q / V ;

লিও চুয়া প্রথম করেন , এখানে চার্জ ও ফ্লাক্স কে সম্পর্কিত করে এমন কোন ফাংশান নেই ।

null
এজন্যে তিনি নতুন একটি ফাংশন বা সার্কিট উপাদান কল্পনা করেন , যা চার্জ ও ফ্লাক্স কে সম্পর্কিত করবে । এর নাম দিনি দিলেন মেমরিস্টর , M . এর কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পর্কেও ধারনা দিলেন । তবে তা আক্ষরিক অর্থেই কাগজে ও কলমে অর্থ্যাৎ কেবলি গাণিতিক ভাবে ।

দীর্ঘ ৩৭ বছর পরে ২০০৮ সালের ৩০শে এপ্রিল HP ল্যাবে মেরিস্টর আবিষ্কার হল । দেখা গেল , এর বৈশিষ্ট প্রায় সবটুকুই মিলে যায় লিও চুয়ার ধারনার সাথে ।

**গাণিতিক বিশ্লেষনঃ

মেমরিস্টরকে বলা হয় , চার্জ নির্ভর ফ্লাক্স পরিবর্তনের হার । যদি M(q) মেমরিস্টেন্স (memeristance) হয় , তাহলে ,

M(q) = dF / dq . . . . . . . (1)
ফ্যারাডের ম্যাগনেটিক ইনডাকশন সূত্র থেকে আমরা জানি ,
V = dF / dt
(1) থেকে , M(q) = [ dF / dt ] / [dq / dt]
= V / I . . . . . . (2)

(2) থেকে বলা যায় , মেমরিস্টর বা মেমরি রেজিস্টান্স হল চার্জ নির্ভর রোধ ।

R(t)= V(t) / I (t) . . . . . . (3)

(2) ও (3) থেকে দেখা যাচ্ছে , যদি M[q(t)] ধ্রুব (constant) হয় তাহলে (2) ও (3) সমতুল্য । তখন (2) বিভব (voltage) ও তড়িৎ প্রবাহের (current) মাঝে সরলরৈখিক সম্পর্ক দেখাবে ।

কিন্তু q(t) সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল এবং একই সেজন্যে M[q(t)] । (2) কে লেখা যায় ,

V(t) = M[q(t)] * I(t) . . . . . . (4)

(4) থেকে বলা যায় , মেমরিস্টর ততক্ষন v ও I এর মাঝে linear সম্পর্ক দেখাবে যতক্ষন চার্জ পরিবর্তন হচ্ছে না ।

কিন্তু বিদ্যুত প্রবাহ শূন্য না হলে চার্জের একটি পরিবর্তন থাকবেই । [I = dq / dt] এটাকে সাধারন রোধের সাথে স্মৃতি-রোধের [memristor] এর পার্থক্য বলা যেতে পারে ।

AC (alternating current ) এর ক্ষেত্রে ব্যাপারটি একটু ভিন্ন । মেমরিস্টরের একটি বৈশিষ্ট্য হল , একদিকে চার্জের প্রবাহ এর রোধ বৃদ্ধি করে আর বিপরীত দিকে প্রবাহ এর রোধকে কমিয়ে দেয় । ফলে এটা বলা যায় যে মেমরিস্টর চার্জের প্রবাহকে ‘মনে রাখে’ ।

(4) থেকে দেখি , যখন বিদ্যুত প্রবাহ থেমে যাচ্ছে , তখন M[q(t)] =ধ্রুব । এখান থেকেই একে মেমরী হিসেবে ব্যবহার করার প্রসংগ চলে আসে । কারন যখন পাওয়ার চলে যাচ্ছে , তখন মেমরিস্টর তার শেষ অবস্থা ধরে রাখে ।

মেমরিস্টরের সুবিধাঃ

১) খুব কম জায়গা দখল করে ।
২) একবার পাওয়ার চলে গেলে মেমরিস্টর তার আগের অবস্থা ধরে রাখে ।
৩) খুব কম জায়গাতে অনেক বেশি মেমরি তৈরি করা যায় ।
৪) এর তথ্য প্রবাহের গতি অনেক বেশি বলে RAM হিসবেও ব্যবহার করা যাবে ।

সম্ভবনাঃ

মেমরিস্টর কে কাজে লাগাতে পারলে , দ্রুত bootable , হাইস্পিড , উচ্চধারন ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার তৈরি করা সম্ভব । বর্তমানে কম্পিউটার গুলোতে যে RAM ব্যবহার করা হয় , তাতে প্রতিবার কম্পিউটার অন করলে RAM এ নতুন করে লোড করতে হয় সিস্টেম কে । মেমরিস্টর যেহেতু আগের অবস্থা কে ধরে রাখতে পারে , তাই কম্পিউটার সরাসরি আগের অবস্থায় চলে যাবে । [আমাদের দেশে বিদ্যুতের যে অনস্থা , তাতে এই জিনিস এখনি প্রয়োজন !]

RAM ও Hard-Disk এর বিকল্পঃ

এখন কম্পিউটারে দুই ধরনের মেমরি ব্যবহার করা হয় । বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা কাজ করার জন্যে RAM এবং স্থায়ী সংগ্রহে জন্যে হার্ড-ডিস্ক । কোন কাজ করার জন্যে hard-disk থেকে প্রথমে RAM এ আসে অস্থায়ী ভাবে , এর পরে প্রগ্রাম অনুযায়ী কাজ হয় । হার্ড-ডিস্কে তথ্য আদান প্রদান করার কাজটা পর্যাপ্ত দ্রুততার সাথে করা যায় না , অন্যদিকে RAM এর মেমরি যথেষ্ট বেশি নয় – এই দুইটি কারনে দুই ধরনের মেমরি প্রয়োজন হয় ।

মেমরিস্টর এই দুইটিকেই প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম । মেমরিস্টর ব্যবহার করে উচ্চ-ঘনত্বের মেমরি তৈরি করা সম্ভব , যার তথ্য প্রবাহের গতি অনেক বেশি । উদাহরন হিসেবে বলা যায় , একক বর্গ সেন্টিমিটারে মেমরিস্টরের ব্যবহারে ১০০GB মেমরি তৈরি করা যায়, যা সর্বশেষ আবিষ্কৃত ফ্লাশ ড্রাইভে 32 GB মাত্র । অচিরেই আমরা কেবল এক ধরনের মেমরির কম্পিউটার দেখতে পাব বলে আশ করা যায় ।

Artificial Intelligence:

মেমরিস্টর আবিষ্কারের ফলে মানব মস্তিষ্কের অনুরূপ কিছু তৈরি করা সম্ভব বলেই গবেষকরা আশা করছেন । বর্তমানে অনেক বড় আর অসম্ভব রকমের প্রোসেসিং পাওয়ার ব্যবহার করে কোডিং বা প্রোগ্রামিং করে যতটুকু অগ্রগতি এসেছে , তা আসলে মানব মস্তিষ্কের অতি নগন্য অংশ মাত্র । আসলে সিমুলেশন প্রোগ্রাম করে মস্তিষ্কের মত কিছু তৈরি করা এখন পর্যন্ত সায়েন্স ফিকশান হয়েই আছে ।

হার্ডওয়্যার-ও যদি সাহায্য করে তবে এই ক্ষেত্রে জটিলতা কমে আসবে । এখানেই আবারো মেমরিস্টর পালন করতে পারে গুরূত্বপূর্ন ভূমিকা । কারন সেই অতীতকে মনে রাখার ক্ষমতা । মেমরিস্টরের ব্যবহার তাই হয়ত কল্পকাহিনী গুলোকে অচিরেই বাস্তবতার পর্যায়ে নিয়ে আসবে ।

অন্যান্যঃ

Signal Processing , Neural Network , Programming Logic , Control System – এসব ক্ষেত্রে মেমরিস্টর ব্যবহার করে এর মাঝেই কিছু পেটেন্ট নেওয়া হয়ে গেছে । আশা করা যাচ্ছে সামনের দিনগুলোতে এই খাত গুলো আরো সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে ।
null

শেষের কথাঃ

মেমরিস্টরের ধারনা এবং ব্যবহার এখনো শিশুকাল অতিক্রম করেনি । এখনো প্রচুর গবেষনা বাকি । মেমরিস্টর নিয়ে এখনো তেমন সার্কিট ডিজাইন হয় নি , মডেল তৈরি হয় নি । বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্যে প্রয়োজনীয় টুলস এখনো তৈরি হয় নি । তবে বিজ্ঞানের এই যুগে এসব সমস্যা মেমরিস্টরের বিশ্ব জয়ে তেমন কোন বাধা হয়ে না দাড়ানোর ই কথা । সেদিন আর খুব দূরে নয় যেদিন মেমরিস্টরের সফল ব্যবহারে গুরূত্বপূর্ণ কাজে সিদ্ধান্ত দিবে কম্পিউটার , নিজের ভুল শুধরে নিবে নিজেই , কাজে লাগাবে অভিজ্ঞতাকে । আমরা পাব instant-bootable হাই-স্পীড কম্পিউটার ; যা আক্ষরিক অর্থেই হয়ে উঠবে আমাদের সহকারী । আমরা সেই দিনের অপেক্ষায় থাকলাম ।

[
নতুন আবিষ্কার কে সহজ ভাবে উপস্থাপনা করাটাই এই লেখাটির উদ্দেশ্য । সেজন্যে কেবল মূল ধারনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ।

এই লেখাটি একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক ম্যাগাজিনের জন্যে তৈরি করা হয়েছিল । কিন্তু আমরা ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করতে পারিনি শেষ পর্যন্ত । মেমরিস্টর সম্পর্কে পোস্টে দেওয়া কোন তথ্য যদি আপডেট হয়ে থাকে তাহলে জানাবার জন্যে বিনীত অনুরোধ করা হচ্ছে ।

লেখাটি spmewhereinblog এ পূর্ব প্রকাশিত । লিঙ্ক http://www.somewhereinblog.net/blog/ise7ven/29138847 ]

বিজ্ঞান বিষয়ক আপডেট পেতে